অতিমারীর খাবার

হাইলাইটস

  • রাজ্য জুড়ে উর্ধ্বমুখী করোনার সংক্রমণ।
  • পরিবারের একাধিক সদস্য করোনা আক্রান্ত হলে খাবারের জন্য হোম ডেলিভারিই ভরসা।
  • রাজ্য সরকারও কিন্তু করোনা আক্রান্তদের জন্য খাবার দিচ্ছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে।

এই সময়: গত বছর করোনার সময় বিনামূল্যে রোগীদের রোজ খাবার দিয়েছিলেন যাঁরা তার মধ্যে রয়েছেন বেহালার তিথি পাল। এ বছরও তিনি খাবার সরবারহ করছেন। তবে তার জন্য সামান্য কিছু টাকা নিচ্ছেন। সারাদিনের খাবার অর্ডার করতে পারেন। আবার দুপুরের খাবার, প্রাতঃরাশ বা রাতের খাবার-এ রকম ভাগ করেও খাবার আনাতে পারেন। তিথির কথায়, ‘আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। আমার মাইনে বাড়েনি গত দু’বছর। কিন্তু জিনিসের দাম বেড়েছে। তাই এ বার আর পুরোটা বিনামূল্যে দিতে পারছি না। মেনু একই রাখছি। দুপুর আর রাতে ভাত বা রুটি, ডাল, একটা সব্জি আর মাছ বা চিকেন বা ডিম দিচ্ছি। সকালে দুধ কর্নফ্লেক্স, ফল বা রুটি-তরকারি দিচ্ছি’। তিথির পাশাপাশি দক্ষিণ কলকাতায় খাবার দিচ্ছেন অমৃত হোম ডেলিভারি, মানসী ধাকাল, রান্নাঘর-হ আরও কয়েকজন। প্রত্যেকের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁরা খাবার পৌঁছে দেবেন।

করোনাকালে সন্ধেবেলায় কী খাবেন বুঝতে পারছেন না? রইল হদিশ…

উত্তর কলকাতায় খাবার দিচ্ছেন রাখী মুখোপাধ্যায়, শম্পা দত্ত, পিয়াসী মণ্ডল, ক্যালকাটা কুকবুকস সহ বেশ কয়েকজন। কোনওটাই বিনামূল্যে নয়। ‘আমি দিনে দশজনের মতো অতিরিক্ত খাবার তৈরি করছি। সেই খাবারই পৌঁছে দিচ্ছি বাড়ি-ড়ি। আমরা যা খাচ্ছি, সেটাই থাকছে মেনুতে। কিন্তু একেবারে বিনামূল্যে পুরোটা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই সামান্য কিছু টাকা নিচ্ছি। তবে এমন কেউ যদি থাকেন, যিনি সত্যিই মূল্য দিতে অপারগ, তাঁর জন্য বিনামূল্যে খাবার দিতে কোনও সমস্যা নেই’, বলছেন শম্পা।

এ ছাড়া রাজ্য সরকারও কিন্তু করোনা আক্রান্তদের জন্য খাবার দিচ্ছে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। সেদিকেও খোঁজ রাখতে পারেন। যে সব হোম ডেলিভারি থেকে সুস্থ থাকাকালীন খাবার নেন, সেখান থেকেও খাবার অর্ডার করতে পারেন। কারণ এদের মধ্যে থেকে বেশিরভাগই করোনা আক্রান্তদের খাবার দিচ্ছে। মধ্য কলকাতায় যাঁরা থাকেন, প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন দোলার রান্নাঘর, জিরা, ইনরিতাস কিচেন, নিশাত তাসমিন-এর সঙ্গে। উত্তর ২৪ পরগনার করোনা রোগীরা যোগাযোগ করতে পারেন ফ্রেন্ডস ক্যাফে, রসিক, রেডি টু সার্ভ, গুপী গায়েন বাঘা বাইন-এর সঙ্গে।

এর পাশাপাশি অনেক রোস্তোরাঁও কিন্তু খাবার দিচ্ছে করোনা আক্রান্তদের। খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। বিনামূল্যে না হলেও কিছু অর্থের বিনিময়ে অসময়ে যদি খাবার পাওয়া যায় সেটাই বা কম কী?

ei samay

প্রতীকী ছবি

We would like to thank the writer of this article for this awesome web content

অতিমারীর খাবার

Wyomingnetworknews.com