শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় মন নেই সঙ্গীর? সমস্যা মেটান এই পদ্ধতিতে!

হাইলাইটস

  • একটি সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কে অবশ্যই শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থাকবে।
  • এর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হয়।
  • একে অপরকে আন্তরিকভাবে চেনা যায়।

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: সুখী দাম্পত্য (Happy Married Life) জীবন চাইলে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অবশ্য প্রয়োজনীয়। তবে শুধু দাম্পত্যের বাঁধনে শরীরিক ঘনিষ্ঠতাকে (Intimacy) আটকে রাখলে চলবে না। এক্ষেত্রে এখনকার যুগ একেবারেই বলদে গিয়েছে। এখন বিবাহের বন্ধনে যুক্ত না হয়েও মানুষ শারীরিক সম্পর্কে যান। আর এক্ষেত্রে মুখ বেঁকানোর কোনও কারণ নেই। বরং এই আধুনিকতাকে মেনে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে আজ কি উচিত আর অনুচিত এই নিয়ে লিখতে বসিনি। আজকের লেখার মূল বিষয় হল সঙ্গী শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় আগ্রহী না হলে কী করা উচিত!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কে অবশ্যই শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থাকবে। এর মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হয়। একে অপরকে আন্তরিকভাবে চেনা যায়। বিশ্বাস জন্মায় পরস্পরের উপর। সবমিলিয়ে সম্পর্কের বাঁধন হয় আরও মজবুত।

যদিও বহু সময়ই দেখা যায় নানা কারণে দাম্পত্য জীবনেও মানুষ শারীরিক ঘনিষ্ঠতার উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়েছেন। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়েই সম্পর্কে থাকা একটি মানুষ শারীরিক ঘনিষ্ঠতার উপর থেকে আকর্ষণ হারান। ফল ভোগ করেন অন্যজন। তবে আপনার সঙ্গীও যদি এমনটা করেন, সেক্ষেত্রে একটু সচেতন থাকতে হবে।

এক্ষেত্রে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার উপর আকর্ষণ হারানোর পিছনে থাকতে পারে এই কারণ-

পরিচিতি না থাকা
আমাদের এখানে এখনও বহু মানুষ দেখেশুনে বিয়ে (Arrange Marriage) করেন। এবার দেখেশুনে বিয়ে করলে বহু ক্ষেত্রেই মানুষ নিজের সঙ্গীর কাছে খোলামেলা হতে পারেন না। এই কারণে গড়ে ওঠেনা শারীরিক ঘনিষ্ঠতাও। আর এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়, যখন দুইজন মানুষের মধ্যে বয়সের ব্যবধান খুব বেশি থাকে।

শারীরিক ও মানসিক কারণ
শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় ইচ্ছা না থাকার পিছনে শারীরিক ও মানসিক নানা কারণও থাকতে পারে।

১. দুশ্চিন্তা সেক্সের আগ্রহ কমায়।
২. মানুষ অবসাদগ্রস্ত হলেও শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ইচ্ছা কমে।
৩. ইরেকটাইল ডিসংফাংশনও (Erectile Dysfunction) এক্ষেত্রে অন্যতম কারণ।
৪. শরীরে হর্মোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫. শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় গোপনাঙ্গে ব্যথাও এক্ষেত্রে কারণ হতে পারে।
৫. কোনও বড় রোগের কারণেও এমনটা হতে পারে।
৬. কিছু কিছু ওষুধ খেলেও শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ইচ্ছা কমে।
৭. নিজের উপর বিশ্বাস না থাকাও এক্ষেত্রে কারণ।
৮. আবার সম্পর্ক ঠিক না থাকলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কী করবেন?
এই সমস্যার সমাধান ভীষণ জরুরি। কারণ এখনই এই বিষয়টির সমাধান করতে না পরলে আপনার সম্পর্ক খারাপ হতে পারে। তাই নিজের সঙ্গীর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলুন।

আপনার সঙ্গী যদি সমস্যার কথা মেনে নেন
সঙ্গী সমস্যার কথা মেনে নিলে আপনার সুবিধাই হবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ এই অনিচ্ছার পিছনে থাকতে পারে ডায়াবিটিস, ব্লাডপ্রেশারের মতো রোগ। এছাড়াও ডিপ্রেশনের ওষুধ, প্রস্টেটের নানা ওষুধ থেকে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ইচ্ছা চলে যেতে পারে। এই বিষয়গুলি চিকিৎসক ছাড়া কেউ ভুঝতে পারবেন না। তাই সাবধান থাকুন।

সঙ্গী সমস্যা না মানতে চাইলে
এটাই ঘোর সমস্যার বিষয়। এক্ষেত্রে প্রথমে নিজের সঙ্গীকে বোঝান। কোনও চাপ দিতে যাবেন না। বরং তাঁকে ধীরে সুস্থে বোঝাতে হবে। সঙ্গী না বুঝলে রাগ দেখাতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। বরং পারলে কোনও মনোবিদের কাছে যান। তিনি আপনার সঙ্গীকে বোঝাতে পারলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।

সঙ্গী নিজেই সমস্যার কথা বললে
অনেকসময় সঙ্গী নিজেই সমস্যার কথা বুঝে আপনাকে বলতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি শুধু তাঁর পাশে থাকুন। তাঁকে সাহায্য করুন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে গিয়েছে।

ছবি সৌজন্যে: পিক্সেলস

We want to say thanks to the author of this post for this amazing web content

শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় মন নেই সঙ্গীর? সমস্যা মেটান এই পদ্ধতিতে!

Wyomingnetworknews.com